ঢাকা জেলা প্রশাসন কর্তৃক তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানমনস্কতা ও উদ্যোক্তা দক্ষতা বিকাশে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় । এই আয়োজনে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ তিনটি দলের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান।
রোববার রাজধানীর বিএএফ শাহীন কলেজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে এই পুরস্কার ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ঢাকা জেলা প্রশাসন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
প্রতিযোগিতায় বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ প্রথম স্থান, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ দ্বিতীয় স্থান এবং হলিক্রস উচ্চ বিদ্যালয় তৃতীয় স্থান অধিকার করে। প্রতিযোগিতার প্রতিটি দলে ৩ জন শিক্ষার্থী ও ২ জন শিক্ষকসহ মোট ৫ জন করে সদস্য ছিলেন। জেলা পর্যায়ের এই চূড়ান্ত অনুষ্ঠানে মোট ১৮৫ জন প্রতিযোগী অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এমপি, মাননীয় উপদেষ্টা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, জনাব মাহদী আমিন,
ঢাকা ১৮ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য
সম্মানিত সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, জনাব আবদুল খালেক,
বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা, ডিএমপি কমিশনার, ঢাকা, মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর,
পুলিশ সুপার, ঢাকা, জেলা প্রশাসন ঢাকাসহ সকল স্তরের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, স্কুল ও কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ ।
সংগৃহীত : Dhaka DC Office Facebook Page
উল্লেখ্য যে, ঢাকা জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত ঢাকা মহানগরীর ১৬টি শিক্ষা থানা, ৩৭৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮১৬টি দলের বৃহৎ আয়োজনে ''STARTUP, SCIENCE PROJECT AND INNOVATION IDEA SHOWCASING '' ক্যাটাগরিতে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ দল......
১. কে এম ফয়সাল শাহরিয়ার, দশম শ্রেণি
২. মো মাসরাফুল হক অয়ন, দশম শ্রেণি
৩. তামিম ইকবাল, দশম শ্রেণি
৪. আজাদুল মোবারক শফিক, শিক্ষক
৫. মো: এনামুল হক, শিক্ষক
প্রজেক্ট “Protirodh BioKit” একটি স্বল্পমূল্যের বহুমুখী স্বাস্থ্য (বিশেষ করে ক্যান্সার) নির্ণয় ব্যবস্থা, যা CRISPR-ভিত্তিক বায়োচিপ, স্মার্ট ব্যান্ডেজ এবং কালারিমেট্রিক ওরাল ক্যান্সার স্ক্রিনিং সিস্টেমের সমন্বয়ে তৈরি। এতে প্রতি টেস্টের খরচ প্রায় ২০–২৫ টাকা এবং সম্পূর্ণ কিটের আনুমানিক খরচ ৮০০–১০০০ টাকা, যা প্রচলিত ক্যান্সার ডায়াগনস্টিকের (৬–৭ হাজার টাকা) তুলনায় অনেক কম এবং সময়সাপেক্ষতা হ্রাস করে। এই সিস্টেমটি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য দ্রুত ও সাশ্রয়ী প্রাথমিক রোগ শনাক্তকরণ নিশ্চিত করে।
এটি চিকিৎসক ও কমিউনিটি হেলথ প্রোভাইডারদের জন্য একটি দ্রুত স্ক্রিনিং টুল হিসেবে কাজ করে, যা সময়মতো রেফারাল ও চিকিৎসা সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করে SDG-3 (Good Health & Well-being) অর্জনে ভূমিকা রাখে।